ধনঞ্জয়া ও হেলরাথের ঘূর্ণিতে আড়াইদিনেই বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

প্রথম ইনিংসে লঙ্কানদের সংগ্রহ ২২২। এর জবাবে লঙ্কান বোলারদের মোকাবেলা করতে যেয়ে মাত্র ১১০ রানেই শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।দ্বিতীয় েইনিংসে লঙ্কানদের ২২৬ রানের ফলে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাড়ায় ৩৩৯ রানের। কিন্তু সে রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১২৩ রানেই শেষ বাংলা ইনিংস। হার মানতে হলো ২১৫ রানে।

ম্যাচে যে বোলারদের মোকাবেলা করে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১০ রানেই গুটিয়ে গেছে টাইগাররা। সেই বোলারদের মোকাবেলা করে ৩৩৯ রান করতে পারবে কি না এটা সবার মাথা ব্যথা ছিল। শেষ মেষ সেটা পারলোও না বাংলাদেশ। আকিলা ধনঞ্জয়া ও হেরাথের স্পিন বিষে নীল হয়ে একে একে সব ব্যাটসম্যানই ফিরে গেছেন খুবই দ্রুত।

বাংলাদেশ আজ মোট ২৯ ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে। যার মধ্যে রান এসেছে মাত্র ১২৩। দলের হয়ে ‍মুমিনুল ৩৩ ও মুশফিক ২৫ রান করেন। লঙ্কানদের মধ্যে আকিলা ধনঞ্জয়া ৫টি, রঙ্গনা হেরাথ ৪িটি ও  দিলরুয়ান পেরেরা ১টি উইকেট নেন।

আজ ম্যাচের তৃতীয় দিনে ৮ উইকেটে ২০০ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল শ্রীলঙ্কা দল। শ্রীলঙ্কা টেনেটুনে একটা বড় স্কোরই দাঁড় করাতে পেরেছে। গতকাল ২২ রানের জুটি গড়ে দিনশেষ করেছিলেন রোশান ডি সিলভা ও সুরাঙ্গা লাকমাল। আজ সকালে আরো ২৬ রানসহ মোট ৪৮ রানের জুটি গড়েন এদুজন।

তাইজুল ইসলাম আজ ব্যক্তিগত প্রথম ওভারেই পরপর দু’বলে লাকমাল ও হেরাথকে ফিরিয়ে ২২৬ রানেই গুটিয়ে দেন লঙ্কান ইনিংসকে।তাইজুল মোট ৪টি, মুস্তাফিজ ৩টি, মিরাজ ২টি ও রাজ্জাক ১টি উইকেট নেন। রোশান সিলভা ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন।

৩৩৯ রানে জয়ের লক্ষ্যে ক্রিজে নেমেছিলেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। ৩ রানেই ফিরে যান তামিম। দলীয় ৪৯ রানে ১৭ রান করে ফিরে যান ইমরুল কায়েস। এরপর মুশফিক ও মুমিনুল একটু দেখে শুনে লাঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যান। তবে লাঞ্চের পরই ফিরে যান মুমিনুল। হাল ধরতে পারেননি লিটন দাসও। বাংলাদেশকে অসহায় করে ফিরে যান অধিনায়ক রিয়াদও। ২৫ রান করে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফেরেন অন্যতম ভরসা মুশফিক।

শেষ পর্যন্ত ১২৩ রানে থামে টাইগারদের ইনিংস। ঢাকা টেস্টে হার মানতে হলো ২১৫ রানে। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মিরাজের বক্তব্যের কোন ফলাফল বাংলাদেশের আজকের ইনিংসে দেখা যায়নি। রোশান সিলভা ম্যাচসেরা ও সিরিজ সেরা নির্বাচিত হন। এই জয়ের ফলে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ তে জিতে নিলো লঙ্কানরা।

শেয়ার করুন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিতে