ইতিহাসের ১০ ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা!

বিমান দুর্ঘটনা এখন খুব স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায়’ই শোনা যাচ্ছে বিমান দুর্ঘটনা কথা। এখন আমরা জানবো ইতিহাসের ১০ ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনার কথা।

এখানে, ইতিহাসের ভয়ংকর সব বিমান দুর্ঘটনার কাহিনী বর্ণনা করা হল-

১) ১৯৭৭: দুইটি বোয়িং ৭৪৭ এস এর ধাক্কা লাগার পর টেনেরিফের রানওয়েতে ৫৮৩ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়।

২) ১৯৮৫: জাপান এয়ার লাইনের একটি বোয়িং ৭৪৭ ফ্লাইট যান্ত্রিক ব্যর্থতার কারণে মাউন্ট অসুটাকার মাঝে ক্র্যাশ হয়। ক্র্যাশের পরে বিমানের ৫২০ জন যাত্রীকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

৩) ১৯৯১: নাইজেরিয়া থেকে মক্কায় তীর্থযাত্রীদের পরিবহন করার এয়ারওয়েজ চার্টার্ড এ আগুন ধরে যায়। পরবর্তীতে সেই আগুনের কারণে বিমান ক্র্যাশ হয় এবং ২৬১ জন নিহত হয়।

৪) ১৯৯৪: চীন এয়ারলাইনস এর একটি এয়ারবাস এ৩০০ পাইলটের ত্রুটির কারণে জাপানের নাগোয়া বিমানবন্দরে ক্র্যাশ হয় এবং পরে ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

৫) ১৯৯৬: সৌদি আরব এয়ারলাইন্সের একটি বোয়িং ৭৪৭ এবং একটি সোভিয়েত-ইরালিউসিন-৭৬ বিমান ভারতের আকাশপথে সংঘর্ষ হয়। সে সংঘর্ষে ৩৪৯ জন মানুষ নিহত হয়।

৬) ১৯৯৭: দক্ষিণ কোরিয়া একটি ফ্লাইট ৮০১, এটাও বোয়িং ৭৪৭ এর, এটি একটি জঙ্গলের মধ্যে ক্র্যাশ করেছে। সমতলে এসে ধ্বংস হবার কারণে ২২৮ জন মানুষ মারা যান এবং ২৬ জন মানুষ জীবিত উদ্ধার হয়।

৭) ১৯৯৮: নিউ ইয়র্ক এর কেনেডি বিমানবন্দর থেকে একটি Swissair jetliner সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যাত্রা করেছিল। কিন্তু, কানাডার নোভা স্কটিয়ার উপকূলে এসে এই বিমান ডুবে যায়। এতে ২২৯ জনের প্রাণহানি ঘটে।

৮) ২০০১: এয়ারবাস এ৩০০ নিউ ইয়র্ক থেকে টেকঅফের পরে সিটি অফ কুইন্সের আশপাশ এর মধ্যে ক্র্যাশ করে। ফলে ২৬৫ জন নিহত হন।

৯) ২০০৯: ফ্রান্সের রিও ডি জেনারিও থেকে প্যারিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার পর আটলান্টিক মহাসাগরের উপর এসে ফ্লাইট ৪৪৭ নিখোঁজ হয়ে যায়। এতে ২২৮ জন যাত্রী ছিল। ঘটনার দু’বছর পরে, ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানান যন্ত্রপাতি ত্রুটির কারণে এটি ক্র্যাশ করেছিল। বোর্ডের সকলে মৃত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

১০) ২০১৪: ২০১৪ সালে মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস থেকে ‘ফ্লাইট MH37’ নিখোঁজ হয়ে যায়। বিমানের ২৩৯ জনকে মৃত বলে মনে করা হয়। এটি মালয়েশিয়া এয়ারলাইনসের ইতিহাসে দ্বিতীয় প্রানঘাতী ঘটনা। ।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

শেয়ার করুন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিতে