গাঁজায় শুরু বাবায় শেষ!

নিউজ ডেস্ক:জীবনে স্বপ্ন ছিল। ছিল আশা, ভালোবাসা। ছিল স্বজনের আদর। কিন্তু সব আশা, ভালোবাসা মিইয়ে গেছে আজ। গিলে খেয়েছে স্বপ্নও। প্রেমের বন্ধনও ছিঁড়ে গেছে অনেক আগেই। কিন্তু কেন? বিপ্লব বলেন, নেশা আমারে খাইছে। সেই গাঁজা দিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন বাবায় গিয়ে শেষ করেছি। বাবা বুঝলেন না? ইয়াবা। এইটারে সবাই বাবা ডাকে এই বাবা-ই আমারে খাইছে। সব হারিয়ে এখন অনুধাবন করছি, যা করেছি সবই ভুল। এখন প্রত্যাশা নামক একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিচ্ছেন বিপ্লব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের সেই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে বসেই কথা হয় তার সঙ্গে। বাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে। বড় শখ করে পড়তে এসেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে। ভর্তিও হলেন অনার্সে। এরই মধ্যে প্রেমে পড়েন। রাত-দিন চুটিয়ে প্রেম। বিপ্লব বলেন, এই প্রেম নেশায় যারা পড়েছে তারাই বুঝবে এটা কেমন এক নেশা। এক মুহূর্ত ভালোবাসার মানুষটিকে না দেখলে পাগল হয়ে যাওয়ার অবস্থা। কত যে স্মৃতি তাকে নিয়ে। কত রাত যে কাটিয়েছি গল্প করতে করতে। কত দিন একে অপরকে দেখেই সময় পার করেছি। খাওয়া, নাওয়া সবকিছু ভুলে গেছি। কিন্তু কোথা থেকে কি হয়ে গেল কিছুই বুঝতে পারলাম না। হঠাৎ একদিন প্রেমিকা আমাকে ছেড়ে অন্যের সংসারি হয়ে যায়। মন ভেঙে চুরমার হয়ে যায় আমার। প্রেমের নেশা ভুলে থাকতে আরেক নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ি। গাঁজার নেশা। সিদ্ধির নেশা। দিনের পর দিন গাঁজার নেশায় বুদ হয়ে থাকতাম। একসময় এ নেশা আর শরীরে মানাচ্ছে না। কলকির পর কলকি গাঁজা টানি কিন্তু নেশা লাগে না। বুঝতে পরলাম শরীর আরো বেশি চায়। তখন ফেনসিডিল ধরি। এভাবে যায় কয়েকদিন। এর মাঝে আরো কত কিছু যে ধরেছি। তবুও প্রেমের নেশা কাটে না। এই যে দেখুন, হাত-পা সুচের গুঁতোয় ছিদ্র করে ফেলেছি। প্যাথেড্রিন নিয়েছি। একের পর এক প্যাথেড্রিন। এরপর সবশেষে ইয়াবা ধরেছি। ইয়াবাকে সবাই ‘বাবা’ বলে ডাকে। সেই বাবাও আমাকে কাবু করতে পারেনি। অথচ জানেন, আমাকে নিয়ে আমার পরিবারের স্বপ্ন ছিল অনেক। পিতা-মাতা এক সময় আমাকে নিয়ে গর্ব করতেন। বলতেন, এই ছেলেই আমাদের সব। ও-ই একদিন আমার সংসারের হাল ধরবে। আর আমি শিক্ষক হয়ে সমাজ বদলের হাতিয়ার হবো এমন ইচ্ছা ছিল প্রবল। কিন্তু দেখুন, বদল কি করবো সমাজের? নিজেই বোঝা হয়ে গেলাম। এই যে আমার চেহারা দেখছেন, এ চেহারা এমন ছিল না। সুন্দর চেহারা ছিল আমার। যে কেউ আমাকে দেখলে আদর করতো। ভালোবাসতো। স্নেহ করতো। সবই শেষ করে বুঝতে পারছি, জীবনে যা করেছি সবই ভুল। এ ভুলের মাশুল গুনতে হবে বাকিটা জীবন। এখন মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র প্রত্যাশায় চিকিৎসা নিচ্ছি। চেষ্টা করছি নেশার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসতে। আমি সব শেষ করে বুঝতে পারছি নেশা মানুষকে শেষ করে দেয়। সকল পিতা-মাতা যেন তাদের সন্তানদের দিকে খেয়াল রাখেন। আমি জানি না নেশার টান থেকে মুক্ত হতে পারবো কিনা। তবে চেষ্টা করে যাবো। নেশা আমার জীবনটা ছারখার করে দিয়েছে। অনার্সে ভর্তি হয়েও পরীক্ষা দিতে পারিনি। চিৎকার করে কাঁদছিলেন রিপন। বলেন, আমার মতো দশা যেন অন্য কারো না হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ান এক নেশাসক্ত ব্যক্তি। কাউকে দেখলেই বলেন, মামু দশটা টাকা দে। বিশেষ করে শহরের ফকিরাপুলের ওপর বসে থাকেন বেশিরভাগ সময়। কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। কেউবা আবার এড়িয়ে যান। এই ব্যক্তি হলেন ফালু সাহা। তিনিও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে লেখাপড়া করতেন। শহরের কান্দিপাড়ার ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ফালু। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবচেয়ে বড় পানের আড়ৎদার তার পিতা। সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম ফালুর। সেই ফালু এখন সংসার ত্যাগী। পরিবার বিচ্ছিন্ন। এর জন্য দায়ী নেশা। অথচ ফালু সাহার জীবনও হতে পারতো অন্যরকম। অর্থবিত্ত বৈভবে ভরপুর হতো। কিন্তু নেশা তাকে পুড়িয়ে দিয়েছে। অর্থ, সম্পদ থেকে তার কাছে নেশাই বড়। তার পারিবারিক সূত্র জানায়, কলেজে পড়ার সময় নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে। পিতার অঢেল অর্থ ব্যয় করে নেশার পেছনে। ফেনসিডিল না হলে তার চলে না। প্রথম প্রথম পরিবারও কিছু বুঝতে পারেনি। যখন বুঝতে পেরেছে তখন অবশ্য সবশেষ। আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি নেশার জগৎ থেকে। নেশাই তার সঙ্গী। নেশাই তার জীবন। এ নেশাই আজ ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান ফালু সাহাকে ফকির বানিয়েছে। হাত পেতে যা পায় তাও ব্যয় করে নেশার পেছনে। নেশার জগতে হারিয়ে গিয়ে বিজয়নগর উপজেলার মোস্তফা কামাল এখন সবার কাছে মস্তু পাগল নামে পরিচিত। বিজয়নগরের কাশীনগর গ্রামে তার বাড়ি। সেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে পড়াশোনা করতো। ১৫ বছর আগে গাঁজা সেবন শুরু করে। দিন কি দিন বাড়তে থাকে মাদক সেবনের মাত্রা। সহায়-সম্পত্তির অভাব ছিল না তার সংসারে। সবই ব্যয় করেছে নেশার পেছনে। বিয়েও করতে পারেননি এখনো। মোস্তফা কামাল এখন পথে পথে ঘুরছে। নেশা তার জীবনকে শেষ করে দিয়েছে। আরেক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান সুমাইয়া। কয়েক বছর ধরে ফেনসিডিলে আসক্ত। সঙ্গে গাঁজা, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সেবন করছে নিয়মিত। সম্ভ্রান্ত পরিবারের এই সন্তান বেপরোয়া হয়ে পড়ায় ঢাকার একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এভাবেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তরুণ, যুবক, কিশোর মাদকের নীল বিষে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবাধে প্রবেশ করছে মাদকের চালান। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে থাবা মেলেছে এ মাদক। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে যুবকরাই বেশি ঝুঁকছে মাদকের নেশায়। জীবনের চেয়ে ওদের কাছে মাদকই সেরা। হাত পাতলেই যেখানে সেখানে মেলে ইয়াবা। আর ইয়াবা বহনে নিরাপদ ও লাভ বেশি হওয়ায় ক্রেতা বিক্রেতা সবাই এখন ইয়াবাকেই বেছে নেয় সবার আগে।
আর ইয়াবা বহনে নানা পদ্ধতি ইতিমধ্যে ধরা পড়েছে আইনশৃঙ্খলা বহিনীর হাতে। মোবাইল ফোনের ব্যাটারি খুলে খালি জায়গায় ইয়াবা পরিবহন করার তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। শরীরের গোপন অঙ্গসহ বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা বহনের কথাতো পুরনো। ইয়াবা সম্পর্কে আমাদের বিজয়নগর প্রতিনিধি আমিরজাদা চৌধুরীকে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর দেওয়ান জিল্লুর রহমান জানিয়েছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ইয়াবা ব্যবসায়ীর সংখ্যা ২ শতাধিক। ইয়াবা সেবী রয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার। আর মাদকের ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত বিজয়নগর আর আখাউড়া উপজেলায় প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল চষে বেড়ায়। এসব মোটরসাইকেলের আরোহী সবাই যুবক। জেলা ও জেলার বাইরের লোকজন মাদক আনতে ছুটে যায় বিজয়নগর আর আখাউড়ায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর থেকেও ঝাঁকে ঝাঁকে মোটরসাইকেল সীমান্তে ছুটে যায়। বিকাল ৩টার পর শত শত তরুণ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে বিজয়নগর ও আখাউড়ার মাদকের আস্তানায় ভিড় জমায়। কেউ কেউ স্পটে সেবন করে। কেউবা চাহিদামতো মাদক নিয়ে ফিরে আসে। গতবছর মাদক সেবন করতে আসা রাজধানীর নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীকে আটক করে বিজিবি। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডের ৩ কর্মীকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করে বিজিবি। ১২ বিজিবি জওয়ানরা তাদের কাছ থেকে কয়েক হাজার টাকা মূল্যের মাদক উদ্ধার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছিল বিজিএফসিএল’র কর্মচারী রফিকুল ইসলাম, সৌনক বর্মণ ও জাকির হোসেন। এদিকে মাদক বহন ও সেবন করতে গিয়ে অহরহ দুর্ঘটনায় পড়ছে যুবকরা। গত ২ মাসে অন্তত ৫ জন মারা গেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য হলো, মাদক সেবন ও বিক্রিতে জড়িয়ে পড়েছে কিছু পুলিশ সদস্যও। গত বছর ৬ই সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া কোর্ট পুলিশ মান্নানকে (কনস্টেবল নং ২৭৪) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক দেওয়ান মো. জিল্লুর রহমান ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে। কারাগারে মাদক সরবরাহের অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারের এক কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাও হয়েছে। সব মিলিয়ে মাদকের রাজ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্রামে গ্রামে এখন বসছে মাদকের হাট। মাদকের ভয়ানক পরিণতি ঠেকাতে সরাইল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শের আলম ইতিমধ্যে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। তিনি তার উপজেলার গ্রামে গ্রামে কমিটি করে যুবকদের মাদকের কুফল সম্পর্কে জানান দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে শের আলম বলেন, সভা সেমিনার করে যতটুকু না ফল পাওয়া যাবে তারচেয়ে বেশি ফল পাওয়া যাবে সরাসরি মাঠে কাজ করে। মাদক যে কত ভয়াবহ তা শুধু ভুক্তভোগী পরিবারগুলোই জানেন। বহু ঘটনার সাক্ষী আমি। মাদকসেবীরা স্ত্রী, সন্তান, পিতা-মাতা ত্যাগ করে দেবে মাদকের জন্য। এমন ঘটনা অসংখ্য। আমার চেষ্টা আর যেন কেউ মাদকের সঙ্গে যুক্ত না হতে পারে। যারা মাদকাসক্ত তাদের সেখান থেকে ফিরিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল নিয়ে মাঠে কাজ করছি। এরমধ্যে অন্যতম হলো, আমরা প্রথমেই একজন মাদকাসক্ত যুবককে টার্গেট করি। তাকে মোটিভেশন করি। একপর্যায়ে তাদের ভালো ছেলেদের গ্রুপে ঠেলে দেই। ওরাই তার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। একসময় সে মাদকের ভয়ঙ্কর পথ থেকে ফিরে আসে। গত দুই বছর ধরে এভাবে কাজ করে যাচ্ছি। সুফলও পাচ্ছি। আমি সরাইলের প্রতিটি গ্রামে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও মাদকবিরোধী যুবকদের নিয়ে দল গঠন করেছি। যারা মাদক নির্মূলে কাজ করছে। এখন আমার দলে এমন সদস্যও রয়েছেন, যিনি আগে মাদক সেবন করতেন। এখন তিনি সেই পথ ছেড়ে অন্যদের মাদকমুক্ত করতে কাজ করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান শের আলম বলেন, মাদকসেবীদের ঘৃণা নয়। তাদের দূরে ঠেলে দিয়ে নয়। কাছে টেনে, ভালোবাসা দিয়ে অন্ধকার পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। এমন করতে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক রাতে এক বাড়িতে আমি ও আমার সহযোদ্ধারা হানা দিয়েছি। মাদকের আস্তানায় গিয়ে মাদকসেবীদের নিয়ে বসে পড়েছি। সারা রাত ধরে তাদের বুঝিয়েছি। মাদকের কুফল নিয়ে তাদের সামনে নানা নজির হাজির করেছি। একদিন, দুদিন এমনভাবে অনেক দিন গিয়েছি। একে একে অনেককে মাদকের নেশা থেকে মুক্ত করেছি। গত দুই বছরে ৩০ থেকে ৩৫ জনকে মাদকের থাবা থেকে তুলে এনেছি। এছাড়া ৭ জন মাদক কারবারিকে সুপথে এনেছি। যাদের কেউ এখন রিকশা কিংবা সিএনজি অটোরিকশা চালিয়ে আয় করছে। কেউবা দিনমজুরি করছেন। স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। কিন্তু সরাইলের গ্রামে গ্রামে মাদকের আস্তানা। যুব সমাজ বানের পানির মতো ধাবিত হচ্ছে ওদিকে। দিন দিন মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ছেই। পুলিশের সহায়তা ছাড়া এ আস্তানা ভাঙা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, পুলিশের ভূমিকা আরো জোরালো হলে মাদক ব্যবহার কমিয়ে আনা সম্ভব। ভাইস চেয়ারম্যান শের আলম সরাইল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকও। একদিকে জনপ্রতিনিধি, অন্যদিকে রাজনীতিতে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় তিনি মাদক নির্মূলে সহজে কাজ করতে পারছেন। আর তাকে বিশাল এক বাহিনী সহযোগিতা করছেন। প্রায়ই দেখা যায় তাকে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালাতে লিফলেট নিয়ে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে ছুটে যেতে।
ওদিকে মাদকবিরোধী অবস্থান নিয়ে বেশ আলোচনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তিনি এ জেলায় যোগ দিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রথমেই জেলার সর্বত্র বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় স্থানীয়দের নিয়ে মাদকবিরোধী সভা করেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে নেন বিভিন্ন উদ্যোগ। সকল থানায় তার এ ম্যাসেজ পৌঁছে দেন তিনি। তার অনড় ভূমিকায় মাদক সম্রাজ্যে কাপন ধরে। জনতাও সচেতন হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর বাড়ি-ঘর ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে জনতা। এসপি মিজানুর রহমান বলেন, জনসচেতনতার পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।সূত্রঃ মানবজমিন

শেয়ার করুন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিতে