বিয়ে করতে পারব না

বিয়ে করতে পারব না
প্রেমিক–প্রেমিকার মধ্যে কথা হচ্ছে।
প্রেমিক: আমি বোধ হয় তোমাকে বিয়ে করতে পারব না।
প্রেমিকা: কেন?
প্রেমিক: আমার বাসায় ব্যাপারটা মেনে নেবে না।
প্রেমিকা: কে কে আছে তোমার বাসায়?
প্রেমিক: আমার স্ত্রী আর দুই সন্তান।

কার ফোন এটা
ক্রিং ক্রিং। ফোন বেজে উঠলো।
শামীম: হ্যালো।
অপর প্রান্ত থেকে: আচ্ছা, গতকাল যে শাড়িটা ১০ হাজার টাকা চাইছিল, আজ সেটা সাড়ে নয় হাজারে দিচ্ছে। শাড়িটা কি কিনে ফেলা উচিত?
শামীম: অবশ্যই।
অপর প্রান্ত থেকে: আর আমার প্রিয় গয়নার দোকানটা ১৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি করছে। গত মাসে যে নেকলেসটা কেনা হয়নি, সেটা বোধ হয় এবার কিনে ফেলা যায়।
শামীম: অবশ্যই।
অপর প্রান্ত থেকে: ওহ! অসংখ্য ধন্যবাদ। তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরো। রাতে তোমাকে দেখাব, আজ কী কী কিনলাম। রাখি, খোদা হাফেজ।
ফোন রেখে অফিসের অন্যদের দিকে তাকাল শামীম, ‘কেউ কি বলতে পারেন, এটা কার ফোন ছিল?’

ভুল নম্বরে ফোন
জলি: হ্যালো, শফিক আছে?
অপর প্রান্ত থেকে: না, উনি তো একটু বাইরে গেছেন। আপনি কে বলছেন?
জলি: আমি তার স্ত্রী বলছি। শফিক ফিরলে বলবেন, আমি ফোন করেছিলাম।
কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করল জলি।
জলি: হ্যালো, শফিক আছে?
অপর প্রান্ত থেকে একটি পুরুষকণ্ঠস্বর, ‘বলছি।’
জলি: আপনার নাম শফিক? কিন্তু আপনি তো আমার স্বামী নন! ওহ! দুঃখিত, আমি বোধ হয় ভুল নম্বরে ফোন করেছি।
অপর প্রান্ত থেকে: খুব ভালো করেছেন। এখন দয়া করে আমার শ্বশুরবাড়ির নম্বরটা নিন। সেখানে ফোন করুন, আর আমার স্ত্রীকে ব্যাপারটা বোঝান!

শেয়ার করুন

কোন মন্তব্য নেই

উত্তর দিতে